ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ফুট ওভারব্রীজ না থাকায় দূর্ঘটনায় প্রাণহানি বাড়ছে

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ফুট ওভারব্রীজ না থাকায় দূর্ঘটনায় প্রাণহানি বাড়ছে
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ফুট ওভারব্রীজ না থাকায় দূর্ঘটনায় প্রাণহানি বাড়ছে

নন্দন রায়, সীতাকুণ্ড :
সীতকুণ্ডে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ভাটিয়ারী একটি গুরুত্বপূর্ণ জনবহুল ও বাণিজ্যক এলাকা। এখানে প্রতি নিয়ত ঘন্টায় দুইশত লোক ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পারাপার করছে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ফোর লাইন হওয়াতে দুরপাল্লার গাড়ীগুলো দ্রুতগতিতে চলাচল করছে। এতে করে প্রতি নিয়ত ঘটছে দূর্ঘটনা নিঃশেষ হচ্ছে অনেকে-ই প্রাণ। প্রতিটি বাজার এলাকায় সড়ক ও জনপদের গতি রোধ নির্দেশক সাইন বোর্ড থাকার পরও চালকরা তা না মেনে গাড়ি চালাচ্ছে। এছাড়াও ভাটিয়ারী এলাকায় রাস্তার পশ্চিম ও পূর্বে পাশে একটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, একটি উচ্চ বিদ্যালয় ও একটি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ রয়েছে। সেই কারনে প্রতিদিন হাজার হাজার ছাত্র/ছাত্রীকে রাস্ত পারাপার করতে হয়। এছাড়াও এলাকায় বিভিন্ন বাজ্যিক প্রতিষ্ঠান সহ বেসরকারী ৭টি ব্যাংক, দুইটি বীমা প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারী এনজি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এরকম একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সর্ব প্রথম ফুট ওভারব্রীজ হওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা করা হয়নি।

এলাকার ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আনোয়ার বলেন, এই এলাকার অনেক গন্যমান্য ব্যক্তি সহ চার লেইন কর্মকর্তাদের কাছে আমরা দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছি একটি ফুট ওভারব্রীজ করে দেওয়ার জন্য। এব্যাপারে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফোর লাইনের কর্মমকর্তা মাসুদ করিম বলেন, সীতাকুণ্ড উপজেলায় বেশ কয়েকটি জায়গায় ফুট ওভারব্রীজ করা হয়েছে। ভাটিয়ারীতেও একটি করার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু সরকার মহাসড়কের উপর উড়াল সড়ক করার পরিকল্পনা করায় আমরা আপাত্ত ফুট ওভারব্রীজের কাজটি হাতে নিচ্ছে না। যদি উড়াল সড়ক প্রতিষ্ঠা করা হয় তাহলে সব গুলো ভেঙ্গে ফেলতে হবে। কুমিরা রয়েল গেইট বাইপাস এলাকায়, বাঁশবাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয়, সিরাজ ভূঁইয়া রাস্তা মাথা এলাকায় জনসাধারণ ও স্কুল কলেজের ছাত্র/ছাত্রীরা সড়ক পারাপাড় করতে গিয়ে নিয়মিত দূর্ঘটনার কবলে পড়ছে। এই জনগুরুত্বপূর্ণ স্থানে ফুট ওভারব্রীজ না থাকায় বিগত বছর গুলোতে বেশ কয়েকটি সড়ক দূর্ঘটনায় অনেকের প্রাণহানি ঘটেছে ও অনেককে পঙ্গুত্ব বরণ করতে হয়েছে।

কুমিরা রয়েল গেইটস্থ বাইপাস এলাকায় বালিকা স্কুল ও কলেজের প্রিন্সিপাল মোঃ নাছির উদ্দীন বলেন, আমরা স্থানীয় অধিবাসীদের নিয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে দরখাস্ত সহ যাবতীয় যা যা করার সবই করেছি রয়েল গেইট এলাকায় শিা প্রতিষ্ঠানে প্রবেশের মাঝামাঝি স্থানে একটি ফুট ওভারব্রীজ স্থাপনের জন্য। যা এখনো ঝুলে আছে।

রয়েল সিমেন্ট ও কবির ষ্টীল মিল লিমিটেডের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর শাহরিয়ার রাহাত শাহজাহান বলেন, এই বাইপাসটিতে আমাদের কারখানা সহ অন্যান্য কারখানার ষ্টাফ ও শ্রমিকরা এবং কুমিরা বালিকা স্কুল এন্ড কলেজের ছাত্রীরা বিভিন্ন সময়ে এই ঝুঁকিপূর্ণ বাইপাস দিয়ে সড়ক পাড় হতে গিয়ে দূর্ঘটনার সম্মূখীন হচ্ছে। সড়ক ও জনপদ (সওজ) কর্তৃপ যদি এখানে একটি ফুট ওভারব্রীজ নির্মাণ করে তাহলে সড়ক দূর্ঘটনার কবল থেকে জনসাধারণ রক্ষা পাবে।