ঢাকেশ্বরীতে সুরঞ্জিতের মরদেহে শ্রদ্ধা জানালেন সর্বস্তরের মানুষ

ঢাকেশ্বরীতে সুরঞ্জিতের মরদেহে শ্রদ্ধা জানালেন সর্বস্তরের মানুষ
ঢাকেশ্বরীতে সুরঞ্জিতের মরদেহে শ্রদ্ধা জানালেন সর্বস্তরের মানুষ

নিজস্ব প্রতিনিধি:

জাতীয় মন্দির ঢাকেশ্বরীতে আওয়ামী লীগ এর বর্ষীয়ান নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের মরদেহে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন সর্বস্তরের মানুষ। বেলা ১২টার দিকে প্রয়াত এই নেতার মরদেহ ঢাকেশ্বরী মন্দিরে রাখা হয় । সেখানে একের পর এক শ্রদ্ধা জানায় বিভিন্ন সংগঠন। প্রথমে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টাপরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু  শ্রদ্ধা জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মুকুল বোস, স্থানীয় সংসদ সদস্য হাজী মো. সেলিম, আওয়ামী লীগ নেতা মোস্তফা জালাল মহীউদ্দীন, সাংগঠনিক সম্পাদক মেজবাহ উদ্দীন সিরাজ প্রমুখ।

জাতীয় হিন্দু, বৌদ্ধ, খৃষ্টান ঐক্য পরিষদ, পূজা উদযাপন পরিষদসহ বিভিন্ন ধর্মীয়, সামাজিক, রাজনৈতিক সংগঠনের পক্ষ থেকেও শ্রদ্ধা জানানো হয়। এদের মধ্যে প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহাও রয়েছেন।

কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে সুরঞ্জিতের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের স্মৃতিচারণ করেন রাজনীতিকসহ বিশিষ্টজনেরা।

রবিবার ভোরে রাজধানীর একটি হাসপাতালে মারা যান তিনি। সেখান থেকে সকালে তার মরদেহ নেয়া হয় জিগাতলায় নিজ বাসভবনে। সেখানে স্পিকার শিরীন শারমীন চৌধুরীসহ সংসদ সদস্য এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা শ্রদ্ধা জানান।

ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির থেকে সুরঞ্জিতের মরদেহ বেলা তিনটায় নেয়া হবে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায়। সেখানে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর তা হিমঘরে রাখার কথা রয়েছে।

আগামীকাল সোমবার সকাল ১১টায় সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের মরদেহ নিজ জেলা সুনামগঞ্জে নিয়ে যাওয়া হবে। ঐ দিন দুপুর ১টায় তাঁর নির্বাচনী এলাকা শাল্লা এবং বিকাল ৩টায় দিরাই উপজেলায় সাধারণ মানুষ তাদের নেতার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাবেন। দিরাইয়ে তাঁর শেষকৃত্য হবে। শেষকৃত্যের আগে মুক্তিযোদ্ধা সুরঞ্জিতকে রাষ্ট্রীয় সম্মান জানানো হবে। রাজনীতিক সুরঞ্জিত সব সময় সমাজের অধিকারহীন, ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের জন্য কাজ করেছেন। নানা সংকটে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন, সাহসের সঙ্গে উচ্চারণ করেছেন অপ্রিয় বক্তব্য।