আনোয়ারা লুসাই পার্ক পর্যটকদের নজর কাড়ছে


আবদুল মোতালেব, আনোয়ারা প্রতিনিধি। আনোয়ারা উপজেলার ও কর্ণফুলী এলাকায় পার্কি সমুদ্র সৈকতে প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন এলাকায় থেকে হাজার পর্যটক ভ্রমনের জন্য আসে। পার্কে সমুদ্র সৈকতে এত দিন পর্যটকদের জন্য ভাল কোন খাবারে দোকান, ভাল পরিবেশ, নিরাপত্তার কোন ব্যবস্থা না থাকায় ভয়ে অনেক পর্যটক সন্ধ্যা হওয়ার আগেই স্থান ত্যাগ করতে হত। পার্কে সমুদ্র সৈতকের পাশে ৫৬ কানি এলাকা জুড়ে গড়ে তোলা হয়েছে লসাই পার্ক চার দিকের বিভিন্ন প্রজাতির ফুল ও গাছ গাছালি দিয়ে মনোরম পরিবেশও পার্কেও মাঝ খানে লেপ তৈরী করে চারটি ছোট বোট দিয়ে চারদিকে ঘুরানো ব্যবস্থা করা হয়েছে। সমুদ্র সৈকতের পাশে ৪০ কানি এলাকায় মাছের চাষ করে চারদিকে ফুল গাছসহ বিভিন্ন গাছ লাগিয়ে দৃষ্ঠি নন্দন করে তুলেছে স্থানীয় কিছূ যুবক। লুসাই পার্কের মধ্যে পর্যটকদের মনোরম ও দৃষ্ঠি কাড়ার জন্য এ পর্যন্ত ১কোটি ৪০ লক্ষ টাকা ব্যায় করা হয়েছে বলে তারা জানিয়েছে। কয়েকটি ছোট খাট দোকান পার্ট থাকলেও তা ভাল পরিবেশ নেই সব চেয়ে মোটামুটি ভাল পরিবেশ বলে গেলে কিছু খাওয়ার মত পরিবেশ লুসাই ছাড়া আর কোথাও খাওযার উপযোগী নয়। অনেক বখাটে যুবক মাদক ও গাজা, ফেন্সিডিল খেয়ে পর্যটকদের উত্যক্ত কওে এ ভয়ে ভালো পরিবারের ও ভালো পরিবেশলে লোকজন আসতে ভয় করছে বলে অনেকের অভিযোগ।
স্থানীয় তত্ববধায়ক মোহাম্মদ নুরুল হক শাহ জানান আনোয়ারা সমুদ্র সৈকতে এতদিন কোন লোকজন তেমন আসতে না। ২০০৩ সালের পর খাসজমি ৪০ কালি লিজ নিয়ে পরিবেশ সুষ্ঠি হওয়ার পর এখন লোকজন আসতে শুরু করছে। সমুদ্র সৈকতে পর্যটকরে কথা চিন্তা কওে স্থানীয় কিছু যুবক মোহাম্মদ কামাল, এভভোকেট আবু তাহের, আবদুররশীদ, জহির আহমদ, আবদুল লতিফ, এম হাশেম চৌধুরী, এসএম মহি উদ্দীন, মোহাম্মদ কালু ইব্রাহীম, গিয়াস উদ্দীন বেলু, কায়েম শাহ মিলে লুসাই প্রোইটিজ নামে একটি সংগঠন করে গত ২০১০ সালের দিকে। এতে ব্যাক্তিগত টাকা ভাগাভাগি কওে এ পর্যন্ত এক কোটি ৪০ লক্ষ টাকা ব্যায় করেছে তারা। পর্যটকদের জন্য লসাই পার্ক রেস্টুরেন্ট এন্ড রিসোর্ট নামে একটি হোটেল তারা পরিচালনা করছে। পার্কেও ব্যবস্থপনা পরিচালক তুলাশ দাশ বলেন, আমাদেও এখানো প্রচুর পযর্যটক আসলেও বিভিন্ন সমস্যান কারনে পুরোপুরি সেবা করতে পারছি না। বিদ্যুৎ সমস্যা, রাস্তা ঘাটের সমস্যা, খাবার কোন টিউব ওয়েল না থাকায় খাবার পানির সংকট। পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য স্থায়ী কোন পুলিশ ক্যাম্প না থাকায় সমস্যা সৃষ্ঠি হয়। এব্যাপারে লুসাই প্রোইটিজের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ কামাল বলেন, আমরা ব্যাক্তিগতভাবে এ পার্ককে উন্নয়ন করেছি সরকারী এ পর্যন্ত কোন সহযোগিতা আমারা পাইনি। বিদ্যুৎ সমস্যা ও খাবার পানি ও রাস্তা ঘাটের সমস্যা সমাদান হলে সরকার প্রচুর পরিমান টিকেট বিক্রয় করে রাজস্ব আয় করতে পারবে। এক পর্যটক জেসমিন সুলতানা ও কামরুল ইসলাম জানান এখনো এসে ভাল লাগলেও আমার নিরাপত্তহীনতাই ভুগছি প্রতিদিন সন্ধা হলে পর্যটকদের গাড়ী থেকে নামিয়ে টাকা পয়সা ছিনিয়ে নেয়ার খবর শূনা যাচ্ছে।
এব্যাপারে কণূফুলী থানার পুলিশ অফিসার মোস্তাক আহমদ জানান, আমরা কোন বড় ধরনের উৎসব ও ছুটির দিনে পুলিশ পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য কাজ করে থাকে এ ছাড়াও পুলিশ সার্বক্ষনিক পার্কে ও সৈকতে আসা পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে কাজ করে।