বর্তমান সরকার অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বিশ্বাসীঃ গালিব

সকল প্রাণী সুখী হোক’ এ স্লোগানকে সামনে রেখে জলদি সদ্ধর্ম সুরক্ষা পরিষদের অষ্টম বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বাঁশখালীতে আয়োজন করা হয়েছে ৩ দিনব্যাপী অনুষ্ঠান। ৩ দিনের এ অনুষ্ঠানে থাকছে বুদ্ধের ধাতু পূজা, ৮৪ হাজার ধর্মস্কন্ধ পূজা, বোধিবৃক্ষ পূজা, মহামৌদগল্যায়ন ভান্তের ধাতু পূজা, উপগুপ্ত মহাথেরোর পূজা, পটঠাম ও অভিধর্ম পাঠ, কালগত সংঘমনীষাদের উদ্দেশ্যে অষ্টপরিস্কার, সংঘদান, কল্পতরু দান, ধর্মদেশনা, পুরস্কার বিতরণ ও গুণীজন সংবর্ধনা।

বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বাঁশখালী পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের শ্মশানভূমি প্রজ্ঞাদর্শন মেডিটেশন সেন্টারে প্রথম দিনের অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়

অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন উত্তর জলদি শ্মশানভূমি প্রজ্ঞাদর্শন মেডিটেশন সেন্টারের আবাসিক ভদন্ত জ্ঞানভদ্র ভিক্ষু।

বাকরআলী বিল দুঃখ নিরোধগামিনী প্রতিপদা ফরেস্ট মেডিটেশন সেন্টারের পরিচালক ভদন্ত লোকরত্ন স্থবিরের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বাঁশখালী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান চৌধুরী মোহাম্মদ গালিব। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রেজাউল করিম মজুমদার, কাউন্সিলর বাবু তপন কান্তি বড়ুয়া।

উপস্থিত ছিলেন প্রধান ধর্মদেশক, উত্তর জলদি শ্মশানভূমি প্রজ্ঞাদর্শন মেডিটেশন সেন্টারের মহাপরিচালক ভদন্ত জ্ঞানেন্দ্রিয় স্থবির।

এ সময় ডক্টরস বুড্ডিস্ট এসোসিয়েশন বাংলাদেশ’র সভাপতি ডা. অধ্যাপক প্রভাত চন্দ্র বড়ুয়াকে সংবর্ধনা স্মারক দেওয়া হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা চেয়ারম্যান গালিব বলেন, বর্তমান সরকার অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বিশ্বাসী, এখানে সকল ধর্মের মানুষ স্বাধীনভাবে যার যার ধর্ম পালন করবে। কোনো সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী যেনো দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে সেজন্য সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।

এমন অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য জলদি সদ্ধর্ম সুরক্ষা পরিষদের সকল কর্মকর্তাকে ধন্যবাদ জানান এবং ভবিষ্যতে উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাসও দেন তিনি।