৭ম রমজানের ফজিলত, মুসা আঃ এর পক্ষে সহযোগিতা করার সমান সাওয়াব

চলছে পবিত্র রমজান মাস। সিয়াম-সাধনার এ মাস জুড়েই রয়েছে রহমত, বরকত ও নাজাতের সাওগাত। মুমিনের জন্য সৌভাগ্যের বার্তা নিয়ে আসে এ মাস। ইবাদত-বন্দেগির মাধ্যমে আল্লাহর রাজি-খুশি হাসিলের বড় সুযোগ এ মহান মাসে।

মুসলিম উম্মাহ তাই মাসটি পরম যতনে খোদা তা’লার নৈকট্য হাসিলে ব্যয় করে থাকেন।

পবিত্র রমজানের ফজিলত ও মর্যাদা সম্পর্কে হাদিসে বর্ণিত হয়েছে- প্রিয় নবীজি (সা.) এর প্রিয় সাহাবী হযরত আবু হুরায়রা (রা.) বলেছেন, রাসুল (সা.) এরশাদ করেছেন, যখন রমজান মাস আসে আসমানের দরজাগুলো খুলে দেওয়া হয় এবং দোজখের দরজাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়, আর শয়তানকে শৃঙ্খলিত করা হয়। (বুখারী, মুসলিম)

অপর হাদিসে এসেছে, হযরত শাহ্ ইবনে সা’দ (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী কারীম (সা.) এরশাদ করেছেন, বেহেশতের ৮টি দরজা রয়েছে।

এর মধ্যে ১টি দরজার নাম রাইয়ান। রোজাদার ব্যতিত আর কেউ ওই দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না। (বুখারী, মুসলিম) আজ রমজানের ৭ম দিন। এ দিনটিতে ফিরাউনের বিরুদ্ধে মুসা আঃ এর পক্ষে সহযোগিতা করার সমান সাওয়াব প্রদান করা হয়।

বস্তুত, ইবাদত-বন্দেগির মাধ্যমে আত্মশুদ্ধির যে সুযোগ বছরের এ মাসটিতে মুমিনের জন্য থাকে, তা সারাবছর আর কখনো পাওয়া যায় না। তাই তো প্রত্যেকের উচিত বেশি বেশি ক্ষমা প্রার্থনার মাধ্যমে নাজাতের পথ প্রশস্ত করা। আল্লাহ পাক আমাদের সবাইকে রমজানের ওসিলায় মাফ করুন। রহমত দান করুন। আমিন।