চট্টগ্রামে ছাত্রদলের ৩০ কর্মী আটক

bnpচট্টগ্রাম অফিস: চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি সভাপতি আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে বের হওয়া একটি মিছিল লাঠিপেটা করে ছত্রভঙ্গ করে দিয়েছে পুলিশ। সেখান থেকে ৫ বিএনপি কর্মীকে আটক করা হয়েছে।হরতালের শুরুতে সকাল ৯টার দিকে নগরীর চট্টেশ্বরী রোড এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। এরপর বিএনপি মিছিল করতে না পারলেও সকাল ৯টা থেকে নগরীর কাজীর দেউড়িতে দলীয় কার্যালয় নাসিমন ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে সমাবেশ করছে। সেখানে বিপুলসংখ্যক পুলিশ অবস্থান করলেও বিএনপির সমাবেশে কোনো বাধা দিচ্ছে না।জানা যায়, সকালে নগরীর মেহেদীবাগ এলাকা থেকে নগর বিএনপি সভাপতি আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে হরতালের সমর্থনে একটি মিছিল বের হয়। মিছিলটি চট্টেশ্বরী রোড হয়ে দলীয় কার্যালয়ের দিকে আসার সময় পুলিশ মিছিলে বাধা দেয়। এই সময় আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে পুলিশ কর্মকর্তাদের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে বিএনপির নেতা-কর্মীরা মিছিল করার চেষ্টা করলে পুলিশ লাঠিপেটা করে মিছিলটি ছত্রভঙ্গ করে দেয় এবং ঘটনাস্থল থেকে বিএনপির পাঁচ কর্মীকে আটক করে।বিভিন্ন এলাকা থেকে ৩০ ছাত্রদলের নেতা কর্মীকে পুলিশ আটক করেছে
আটক ছাত্রদলের কর্মীরা হলেন প্রমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল নেতা সায়দুল ইসলাম রানা,খুলশী থানা ছাত্রদল নেতা হিমেল উদ্দীন, পাচঁলাইশ থানা ছাত্রদল কর্মী জসিম উদ্দীন, বাকলিয়া থানা ছাত্রদল নেতা নওফেল ও শামীম আহমদকে পুলিশ মিছিল থেকে আটক করেছেন। এসময় পুলিশের লাঠির আঘাতে ২০ জন ছাত্রদলের নেতা কর্মী আহত হয়।
পরে বিএনপির নেতা-কর্মীরা কাজীর দেউড়িতে দলীয় কার্যালয় নাসিমন ভবনের সামনে সমাবেশ শুরু করেন। সমাবেশে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী অভিযোগ করেন, সরকার পুলিশকে সন্ত্রাসী বাহিনীর মতো ব্যবহার করে রাজনৈতিক দলসমূহের গণতান্ত্রিক অধিকারে বাধা প্রদান করছে। তিনি বলেন, দমন-পীড়ন চালিয়ে এই সরকার ক্ষমতা বেশি দিন আঁকড়ে থাকতে পারবে না।
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, নগরবাসী স্বতঃস্ফূর্তভাবে হরতালে সাড়া দিয়েছেন।
এব্যাপারে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদল সভাপতি গাজী মোহাম্মদ সিরাজ উল্লাহ বলেন পুলিশ ছাত্রদলের মিছিল থেকে ৩০ জন নেতা কর্মীকে আটক করেছেন এবং শান্তিপূর্ণ মিছিলে লাটি সার্জ করে ২০ কর্মীতক আহত হয়।