করোনা কখন কী রূপ নেয় বুঝা মুশকিল: ওবায়দুল কাদের

করোনাকে বুঝা বড়ই মুশকিল। কখন কি রূপ ধারণ করে তা বুঝা যায় না বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

করোনা সংক্রমণ থেকে বাঁচতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ও শতভাগ মাস্ক পরার বিকল্প নেই জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আমাদেরকে আরও মনোযোগী হতে হবে কঠোর স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন করায়।

রবিবার সকালে সিলেট জোন, বিআরটিসি ও বিআরটিএ কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি। সেতুমন্ত্রী তাঁর সরকারি বাসভবন থেকে সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হন।

ভারতে করোনা পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, আমাদের এখন সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে প্রতিবেশী ভারতের সংক্রমণ ও মৃত্যুর হারের বিপদজনক বার্তা থেকে। সেখানে আজকে কি অবস্থা, একটি বেড ও অক্সিজেনের জন্য হাহাকার। হাসপাতালে যাওয়ার আগেই মানুষ মারা যাচ্ছে। সেখানে শ্মশান ও কবরস্থান খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

ভ্যাকসিনের জন্য উদ্বেগের কোনো কারণ নেই জানিয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মতো একজন মানবিক নেত্রী যখন পাশে আছে তখন এই দুঃসময় একদিন কেটে যাবে ইনশাআল্লাহ।

অনুষ্ঠানে পদ্মাসেতুর মাওয়া প্রান্তে ভায়াডাক্টের সর্বশেষ গার্ডার স্থাপনের মধ্য দিয়ে পুরো সেতুর স্ট্রাকচারের কাজ শেষ হয়েছে বলে জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

এ পর্যন্ত মূলসেতুর নির্মাণ কাজের অগ্রগতি শতকরা ৯৩ দশমিক দুই পাঁচ ভাগ জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, নদী শাসন কাজের অগ্রগতি শতকরা ৮৩ ভাগ এবং প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি শতকরা ৮৫.৫ ভাগ।

ওবায়দুল কাদের আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, আগামী ২০২২ সালের জুন মাসে পদ্মাসেতু যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।

ঢাকা-সিলেট ও সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক প্রকল্পের বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, এই মূহুর্তে অন্যতম অগ্রাধিকার প্রকল্প হচ্ছে এটি। তাই সড়কটি চার লেনে উন্নীত করার বিষয়ে অধিকতর গুরুত্ব দিতে হবে।

আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, দীর্ঘদিন এই প্রকল্পের কাজ ঝুলে থাকলেও সম্প্রতি গতি পেয়েছে এবং ইতিমধ্যেই নির্মাণ তদারকি পরামর্শক নিয়োগের লক্ষ্যে এডিবির সম্মতিও পাওয়া গেছে। প্রকল্পটির নির্মাণ কাজ দ্রুত শুরু করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ও প্রধান প্রকৌশলীকে আরও উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী সিলেট বিআরটিএ’কে দুর্নীতির অনিয়ম থেকে বেরিয়ে আসার জন্য সংশ্লিষ্টদের কঠোর নির্দেশ দেন। এছাড়া বিআরটিসিকে লোকসানের বৃত্ত থেকেও বেরিয়ে আসতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।