জঙ্গী সংগঠনের মতো যারা আন্দোলন তাদের সাথে কোন সংলাপন নয়: তোফায়েল

mmjz87v4-e1408885224585নিজস্ব প্রতিবেদক: জঙ্গ সংগঠেনর মতো যারা আন্দোলন করে মানুষ হত্যা করে তাদের সঙ্গে কোন সংলাপ হবে না বলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, নির্বাচনের জন্য খালেদা জিয়াকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। ২০১৯ সালের ১৯ জানুয়ারি বর্তমান সরকারের মেয়াদ শেষ হবে। এরমধ্যে নিয়ম অনুযায়ী নির্বাচন হবে। মঙ্গলবার বিকেলে এক অনু্ষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। নগরীর পলোগ্রাউন্ড মাঠে ২৩ তম বাণিজ্য মেলার উদ্বোধন উপলক্ষে চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আন্দোলন আমরাও করেছি। আন্দোলনের ডাক দিলে সচিবালয় থেকে কর্মকর্তারা রাস্তায় নেমে আসতো। সাধারণ মানুষ শরীক হতো। খেটে খাওয়া মানুষের ক্ষতি হতো না। কিন্তু এখন নিষ্পাপ শিশুকেও পুড়িয়ে মারা হচ্ছে।খালেদা জিয়া কার বুক খালি করতে চান? এমন প্রশ্ন রেখে তোফায়েল আহমেদ বলেন, নিষ্ঠুর খালেদা কার বুক খালি করতে চান। ২১ ফেব্রুয়ারি হরতাল দেন, এসএসসি পরীক্ষার সময় হরতাল দেন এমনকি নিজের সন্তানের লাশ বিদায়ের দিন হরতাল দিয়েছেন। এমন নিষ্ঠুর খালেদা। পাঁচ জানুয়ারি আওয়ামী লীগ নির্বাচন করতে না পারলে তৃতীয় শক্তি ক্ষমতায় আসতো উল্লেখ করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপিকে নির্বাচনে আনতে আপ্রাণ চেষ্টা করেছি । সংলাপের প্রস্তাব দিয়েছি। একজন প্রধানমন্ত্রী হয়েও বিরোধী দলীয় নেত্রীকে কিভাবে অনুরোধ করেছেন। তারপরও তিনি সাড়া দিলেন না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিতেন প্রস্তাব, খালেদা জিয়া করতেন প্রত্যাখ্যান। এরপর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনে কঠিন এবং কর্কষ ভাষায় কথা বলেছেন।বয়কট করে সুষ্ঠুভাবে যাতে নির্বাচন না হয় খালেদা জিয়া সে প্রচেষ্টা করেছেন অভিযোগ করে মন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের দিন বাড়িঘর পুড়িয়েছে, মানুষ হত্যা করেছে, সম্পদ ধ্বংস করেছে। কিন্তু আমরা সক্ষম হয়েছি। না হলে তৃতীয় শক্তির কাছে ক্ষমতা যেত। যেভাবে থাইল্যান্ডে হয়েছে। চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলমের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ এমপি, এম লতিফ এমপি, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মেলা আয়োজক কমিটির চেয়ারম্যান নুরুন নেওয়াজ সেলিম, কো চেয়ারম্যান সৈয়দ জামাল আহমেদ প্রমুখ