প্রচণ্ড তাপদাহে অতিষ্ঠ জনজীবন

 

imagesএ.এইচ.এম. সুমন চৌধুরী, চট্টগ্রাম: প্রচণ্ড গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন। ঘরে-বাইরে কোথাও এতটুকু স্বস্তি নেই। নগরে, পথে-ঘাটে নেই এতটুকু প্রশান্তির আবেশ। আগুনের হলকার মত গরম বাতাসে ঝলসে যাচ্ছে নাগরিক জীবন। প্রচণ্ড তাপদাহে নারী-পুরুষ, শিশু-বৃদ্ধ সকলেই কুপোকাত হয়ে পড়েছে। কর্মজীবী মানুষ বাইরে বের হলেই অতিরিক্ত ঘামে ক্লান্ত হয়ে পড়ছে।এর মধ্যে গরমের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে যানজট। সিগন্যালে সিগন্যালে আটকে থাকতে হচ্ছে শত শত যানবাহনকে। পাবলিক পরিবহনগুলোতে তিল ধারণেরও জায়গা থাকছে না। তীব্র গরমে ছটফট করছে গণপরিবহনের যাত্রীরা।

আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, ঢাকা, চট্টগ্রামসহ রাজশাহী, পাবনা, পটুয়াখালী, বরিশাল এবং খুলনা বিভাগের তীব্র তাপ প্রবাহিত হচ্ছে। এই তাপপ্রবাহ বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চলবে । এরপর হালকা বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে চলতি মাসের ১৫ তারিখের পর আবারও তাপপ্রবাহ হতে পারে।এদিকে তীব্র গরমে পানি, ডাব, শসা, ক্ষীরা বিক্রি বেড়েছে দ্বিগুণ দামে । ক্লান্তি দূর করতে কেউ কেউ পান করছেন পানি, কেউবা ডাবের পানি। আবার অনেকে খাচ্ছে শসা বা ক্ষীরা। তারপরও স্বস্তি মিলছে না কিছুতেই । তীব্র গরমে আবার কেউ কেউ ছুটছে বিভিন্ন কোমল পানীয় এবং ফুটপাতে বিক্রি হওয়া নানা ধরনের শরবতের দিকে।
নিউ মার্কেট মোড়ে ডাব ব্যবসায়ীরা জানান, গরম বেড়ে যাওয়ায় ডাব বিক্রিও বেড়েছে ।আবার ক্রেতাগণ ডাবের পানিসহ গরম হওয়াতে পান করেও স্বস্তি ফিরে পাচ্ছেন না । এ সুযোগে ডাব ব্যবসায়ীরা অধিক দামে ক্রেতাদের থেকে টাকা আদায় করে নিচ্ছে ।

আবার অতিরিক্ত গরমের কারণে সর্দি-কাশি, জ্বর ও ডায়রিয়ার প্রকোপ বেড়েছে । এক্ষেত্রে শিশুরা আক্রান্ত হচ্ছে সবচেয়ে বেশি। প্রতিদিনই হাসপাতালগুলোতে পানিবাহিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে।প্রচণ্ড এই গরমে সবাইকে প্রচুর পরিমাণ পানি ও খাওয়ার স্যালাইন পানের পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। এছাড়া রোদ থেকে ফিরে অধিক ঠাণ্ডা পানির পরিবর্তে স্বাভাবিক তাপমাত্রার অথবা হালকা ঠাণ্ডা পানি পান করার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা।